এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শহরের গরিবগুর্বোর ঘরে দু'বেলা দু'মুঠো ভাত যাতে জোটে, সে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিন জনে। করোনার লকডাউনে ঘরে-ঘরে চাল-ডাল-তেল পৌঁছে দিচ্ছিলেন নিখরচে। নিজেদেরই পকেটের টাকা খরচ করে। বাহবা কুড়োতে নয়, মনে শান্তি পেতে। গরিবের মুখে ভাত তুলতে পথে নেমে, সেই তিন মানবদরদিই আক্রান্ত করোনায়। শুক্রবার এই তিন জনের নমুনা রিপোর্ট পজিটিভ জানার পরেই শোরগোল পড়েছে কর্নাটকের চিক্কাবল্লাপুর শহরে। করোনা আতঙ্কের পারদ রাতারাতি চড়েছে। শহরের ৩১টি ওয়ার্ড রাতারাতি সিল করে দেওয়া হয়েছে। আক্রান্ত তিন জন কোন কোন বাড়িতে গিয়েছেন, কারা তাঁদের সংস্পর্শে এসেছেন, সব জেনে সেই মতো পদক্ষেপ করতে চলেছে প্রশাসন। প্রত্যেককে চিহ্নিত করে, টেস্ট করানো হবে। সম্প্রতি সৌদি আরব থেকে ফেরা এক ব্যক্তির করোনা ধরা পড়ে। তাঁর থেকেই এই তিন জনের করোনা ছড়িয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তা ছাড়া তিন জনের একজন পেশায় দর্জি। ফলে, সেখান থেকেও করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে পারছেন না প্রশাসনিক কর্তারা। আর একজন স্থানীয় নেতা। মূলত তাঁর উদ্যোগে সাড়া দিয়েই, বাকি দু-জন সমাজসেবায় শামিল হন। সেই নেতার সঙ্গে নানা জনের যোগাযোগ আসা-যাওয়া রয়েছে। ফলে, তাঁর মাধ্যমেও সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা আছে। তবে, বাইরে থেকে এই তিন জনের একজনেরও করোনার কোনও লক্ষণ নেই। জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহেই তাঁরা দিনমজুর, উপার্জনহীন ১৫০ পরিবারের হাতে রেশন পৌঁছে দিয়েছেন। চিক্কাবল্লাপুরের ডেপুটি কমিশনার জি লাথা জানান, শুক্রবারই শহরের ৩১টি ওয়ার্ড সিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না-দেওয়া পর্যন্ত ওয়ার্ডের কেউই বাড়ি থেকে বেরোতে পারবেন না।
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/2wNKQbH



