এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাকি বিশ্বের মতো করানোর তাণ্ডব সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে জাপান। তার মধ্যেই শনিবার জোরদার এক ভূমিকম্প নাড়িয়ে দিয়ে গেল এশিয়ার এই দেশটিকে। জাপানের আবহাওয়া দফতর, জেএমএ জানিয়েছে, শনিবারের ভূমিকম্প যথেষ্টই শক্তিশালী ছিল। রিখটার স্কেলে ৬.৯ কম্পাঙ্কের তীব্রতা ধরা পড়ে। তবে কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। সংবাদ সংস্থা সিজিটিএন সূত্রে খবর, জাপানের ওগাসাওয়ারা দ্বীপের পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে ভূমিকম্পটি। তবে, সিজিটিএনের দাবি, প্রথমে ৬.৯ কম্পাঙ্কেক কথা বলা হলেও, পরে ৬ কম্পাঙ্কের কথা জানানো হয়। জাপানে অবশ্য ভূমিকম্প নতুন কিছু নয়। কারণ, জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় 'রিং অফ ফায়ার' অঞ্চলে অবস্থিত। বাংলায় যার অর্থ হয় 'আগুনের গোলা'। 'রিং অফ ফায়ার' এমন একটি কাল্পনিক বেল্ট, যা ঘোড়ার খুরের মতো প্রধানত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে ঘিরে রেখেছে। রিং অফ ফায়ারে যেসব অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সেগুলো পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ। ভূ-তাত্ত্বিকরা জানান, রিং অফ ফায়ারই ৯০ শতাংশ ভূমিকম্পের কারণ। ৪০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এই 'রিং অফ ফায়ার' অঞ্চলে ৪৫২টি আগ্নেয়গিরি রয়েছে, যা পৃথিবীপৃষ্ঠে অবস্থিত মোট আগ্নেয়গিরির ৭৫ শতাংশ। এশিয়ার জাপান, পলিনেশিয়ার টোঙ্গো, দক্ষিণ আমেরিকার ইকুয়েডর রিং অফ ফায়ারের অন্তর্ভুক্ত। তাই এসব অঞ্চলেই বেশি ভূমিকম্প হয়ে থাকে। জাপানের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার ৫টা ২৬ মিনিটে আঘাত হেনেছে। এই কম্পনের উত্সস্থল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরে। গভীরতা ছিল ৪৯০ কিলোমিটার। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই। সিজিটিএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতির মধ্যেএর গভীরতা ছিল ৪৯০ কিলোমিটার। তাত্ক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জানা গিয়েছে, ওগাসাওয়ারা দ্বীপের বেশ কয়েকটি স্থানে অন্তত চার বার কম্পন অনুভূত হয়েছে। সেগুলির মধ্যে সর্বোচ্চটির মাত্রা ছিল সাতের কাছাকাছি। এদিকে, করোনা আক্রান্ত জাপানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮১ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ৭৮৭। মারা গেছে ২০০-র বেশি মানুষ।
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3eBPlr0



