এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আগুন লেগেছিল হিমাচলের অজানা অখ্যাত এক গ্রামে। পাশাপাশি খড়ের চাল। ঘরদুয়ার। গ্রামের একমাত্র মন্দির। মন্দির লাগোয়া আরও কয়েক বাড়ি। আগুন ক্রমশ হিসেব কষে এগোতে থাকে। আরও আগ্রাসী হয় লেলিহান শিখা। উজাড় করে ঘর-সংসার। সব ছাই পলকে। সেই আগুনের হাত থেকে পালানোর পথ পায়নি বছর পঁয়ত্রিশের এক যুবক। ঘর থেকে বেরিয়ে আসার আগে আগুনই তাঁকে ঘরবন্দি করে ফেলে। আগুন ধরে নেয় তাঁর শরীর। সে আগুনে জ্বলতে জ্বলতেই দগ্ধজ্বালায় ছুট্টে বাইরে বেরিয়ে আসেন। কিন্তু, আগুনের যা তেজ, পড়শিরা তাঁর কাছে ঘেঁষতে পারেননি। চিত্কার শুনেছেন। বাঁচার আর্তি কানে বেজেছে বারবার। কিন্তু, তা-ও কাছে এগোতে পারেননি, এক পা-ও। আগুনে পুড়েছে শরীরের হাড়-মাংস। পুলিশ এসে দেখেছে, দলা পাকানো একখাবলা পোড়া মাংসপিণ্ড। গ্রামের পড়শিরা কেউ বলে না দিলে, যুবককে দেখে চেনার উপায় ছিল না। শুধু ওই যুবক নয়, আরও ২জন পুড়েছেন। কিন্তু, তাঁদের পরিণতি ওই যুবকের মতো করুণ হয়নি। ভয়াবহ হয়ে ওঠার আগেই, সে আগুন নিভিয়ে দেন গ্রামবাসীরা। অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার হিমাচলের শিমলা জেলার চিরগাঁওয়ের একটি গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রামের সাত ঘর ভস্মীভূত হয়েছে। গ্রামের একমাত্র মন্দিরটিও। আর মারা গিয়েছেন পঁয়ত্রিশের ওই যুবক। জেলাপ্রশাসনের তরফে সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়, মৃত ব্যক্তির পরিবারকে ১০ হাজার টাকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। আহতরা পাবেন ৫ হাজার টাকা করে। এদিন রাত পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/2yUPwNw



