এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আরাবল্লী পর্বতমালার পাশ দিয়ে গুরুগ্রাম-আলওয়ার হাইওয়ে ধরে কিছুটা গেলে চোখ জুড়িয়ে যাবে পাহাড়ি সৌন্দর্যে। কিন্তু এই মুগ্ধতা একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। কারণ একটু এগোলেই পাহাড়ের মধ্যে বড় বড় গর্ত প্রকট হয়ে উঠবে। সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এই এলাকায় চলছে দেদার অবৈধ খনন। তার ফলে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে গোটা আরাবল্লী পর্বতমালাই। গুরুগ্রাম থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে রাজস্থানের আলওয়ার সীমান্তে ভাঙ্গো এলাকায় আরাবল্লীর চেহারাটা সবচেয়ে করুণ। বহু বছর ধরে ইচ্ছেমতো খননকাজ চালিয়ে পাহাড়ের সৌন্দর্য পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। রাজস্থানের ভেতরে আর কিছুটা ঢুকলে পাহাড় সেখানে প্রায় হারিয়েই গিয়েছে। কোনও নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে সেখানে যে ভাবে খুশি পাহাড় কাটা হয়েছে। পাহাড়ের মাঝে মাঝে তার ফলে সৃষ্টি হয়েছে বিরাট বিরাট ফাঁক। এই ফাঁক দিয়ে রাজস্থানের মরুভূমির শুষ্ক ধূলিকণা ভরা বাতাস পৌঁছে যাচ্ছে দিল্লি, যা আরও ঘোরালো করে তুলছে রাজধানীর দূষণ সমস্যা। 66399916 ২০০২ সালেই আরাবল্লীতে খনন কার্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু ভাঙ্গো, আলওয়ারের মতো এলাকায় তা কোনওদিনই বন্ধ হয়নি। শুধু খনন কাজ নয়, ওই এলাকায় প্রায় সব বাড়িতেই দেওয়াল গাঁথার জন্য আরাবল্লীর পাথর ব্যবহৃত হয়। এইসব পাথরও যে ভাবে খুশি পাহাড় কেটে নিয়ে এসে বিক্রি করে ব্যবসায়ীরা। বহু বছর ধরে লাগামহীন ভাবে তা চলার ফলে ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে আরাবল্লী। খবরটি ইংরাজিতে পড়ুন।
from Eisamay https://ift.tt/2yyn3tS



