২৪ বছর পর ভারতীয় নাগরিকত্ব পাকিস্তানির

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ২৪ বছরের লড়াই শেষে ভারতের নাগরিকত্ব পেলেন দুই বোন নিদা ও মাহরুখ নাসিম। পাকিস্তানের করাচিতে জন্ম হলেও ১৯৯৫ থেকে ভারতেও রয়েছেন তাঁরা। কিন্তু প্রায় দু’দশক লড়াই শেষে গত ২৩ মার্চ ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। আর সেজন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই ধন্যবাদ দিচ্ছেন তাঁরা।নিদা ও মাহরুখ নাসিমের বাবা-মায়ের বিয়ে হয়েছিল ১৯৮৯-এ। মাহরুখের জন্ম ১৯৯১ সালে, আর নিদা জন্মেছেন ১৯৯৫-এ। বাবা ভারতীয় নাগরিক হলেও তাঁদের মা ছিলেন পাকিস্তানি। ২০০৭ সালে তিনি ভারতের নাগরিকত্ব পেয়ে গেলেও দুই মেয়ে পাননি। নিদা ও মাহরুখের বাবা নসিম আখতার ২৪ বছর ধরে অনেক আবেদপত্র পাঠিয়েছেন, কিন্তু লাভ হয়নি। ২০১৪-তে মোদী বারাণসীতে জিতে আসার পর বারাণসীতে ‘মিনি পিএমও’ শুরু করেন তিনি। সেখানেই দুই মেয়ের নাগরিকত্বের আবেদন নিয়ে হাজির হন নসিম। তার পর ২০১৯-এ ছিঁড়ল ভাগ্যের শিকে।মাহরুখের কথায়, ‘আমার মা পাকিস্তানি, সেই কারণেই আমাদের নাগরিকত্ব পেতে সমস্যা হচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদী বারাণসী থেকে জেতার পর আমাদের কথা খুব মন দিয়ে শুনেছেন। আমাদের পরে আসতে বলেননি, বরং সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়েছেন।’ নিদার বক্তব্য, ‘এখানে নিজেদের কখনও বহিরাগত বলে মনে হয়নি। কিন্তু কোনও আইনি কাজের জন্য যখনই নাগরিকত্ব লেখার প্রয়োজন পড়েছে, পাকিস্তানি লিখলেই সমস্যা হয়েছে। এখন সে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আমি খুব খুশি। আর এর পুরো কৃতিত্ব মোদীর প্রাপ্য।’নয়াদিল্লি: ২৪ বছরের লড়াই শেষে ভারতের নাগরিকত্ব পেলেন দুই বোন নিদা ও মাহরুখ নাসিম। পাকিস্তানের করাচিতে জন্ম হলেও ১৯৯৫ থেকে ভারতেও রয়েছেন তাঁরা। কিন্তু প্রায় দু’দশক লড়াই শেষে গত ২৩ মার্চ ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। আর সেজন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই ধন্যবাদ দিচ্ছেন তাঁরা।নিদা ও মাহরুখ নাসিমের বাবা-মায়ের বিয়ে হয়েছিল ১৯৮৯-এ। মাহরুখের জন্ম ১৯৯১ সালে, আর নিদা জন্মেছেন ১৯৯৫-এ। বাবা ভারতীয় নাগরিক হলেও তাঁদের মা ছিলেন পাকিস্তানি। ২০০৭ সালে তিনি ভারতের নাগরিকত্ব পেয়ে গেলেও দুই মেয়ে পাননি। নিদা ও মাহরুখের বাবা নসিম আখতার ২৪ বছর ধরে অনেক আবেদপত্র পাঠিয়েছেন, কিন্তু লাভ হয়নি। ২০১৪-তে মোদী বারাণসীতে জিতে আসার পর বারাণসীতে ‘মিনি পিএমও’ শুরু করেন তিনি। সেখানেই দুই মেয়ের নাগরিকত্বের আবেদন নিয়ে হাজির হন নসিম। তার পর ২০১৯-এ ছিঁড়ল ভাগ্যের শিকে।মাহরুখের কথায়, ‘আমার মা পাকিস্তানি, সেই কারণেই আমাদের নাগরিকত্ব পেতে সমস্যা হচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদী বারাণসী থেকে জেতার পর আমাদের কথা খুব মন দিয়ে শুনেছেন। আমাদের পরে আসতে বলেননি, বরং সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়েছেন।’ নিদার বক্তব্য, ‘এখানে নিজেদের কখনও বহিরাগত বলে মনে হয়নি। কিন্তু কোনও আইনি কাজের জন্য যখনই নাগরিকত্ব লেখার প্রয়োজন পড়েছে, পাকিস্তানি লিখলেই সমস্যা হয়েছে। এখন সে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আমি খুব খুশি। আর এর পুরো কৃতিত্ব মোদীর প্রাপ্য।’

from Eisamay http://bit.ly/2Q9DpAW

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.